Gmail! | Yahoo! | Facbook | Bangla Font
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন : শত নাগরিক জাতীয় কমিটির বিবৃতি
বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন : শত নাগরিক জাতীয় কমিটির বিবৃতি

বেগম খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন : শত নাগরিক জাতীয় কমিটির বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক,সবুজবাংলা২৪ডটকম (ঢাকা) : বাংলাদেশের জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে প্রেরণের ঘটনায় আমরা মর্মাহত, উদ্বিগ্ন।

যে ঘটনার সাথে বেগম খালেদা জিয়ার ন্যূনতম কোন সংশ্লিষ্টতা নেই, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি সাজানো মামলায় তাঁকে ৫ বছরের যে সশ্রম কারাদন্ড হয়েছে, তাতে এই কথা স্পষ্ট, তিনি মোটেই ন্যায়বিচার পাননি।
ADD SB single_page_ad
আমরা মনে করি এই প্রশ্নবিদ্ধ রায় ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই মামলাকে কেন্দ্র করে সরকারের দায়িত্বশীল মহল বিভিন্ন সময়ে যেসব কথা-বার্তা বলেছেন, তাতে মনে হয় এই রায় পুরোপুরিভাবে প্রতিহিংসাপরায়ণতা থেকে উৎসারিত, পূবনির্ধারিত। যা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের এই জননন্দিত নেত্রীকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার একটা অপপ্রয়াস বলে মনে করা যেতে পারে। একইসঙ্গে এই রায় দেশে জবাবদিহীতাহীন কতৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করবে।

এছাড়া আমার আরও মনে করি, গণমানুষের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখার নামে একটি পরিত্যক্ত ভবনে রেখে যেভাবে অসম্মান ও হয়রানি করা হচ্ছে তা শুধু শিষ্ঠাচার বর্জিতই নয়, রীতিমতো হৃদয়হীনতার নিষ্ঠুর উদাহরণ। এটা আমাদের ধর্ম, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী।

আমরা দেশ, জাতি, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়ার কারাজীবনের অবসান কামনা করছি। তার উপর চাপিয়ে দেয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমরা আশা করব, এই রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে, সেই রকম আচরণ ক্ষমতাসীনরাও করবে। তাদের মধ্যে শুভবুদ্ধি ফিরে আসুক। অন্যথায় দেশে যে ভয়াবহ সংকটজনক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটবে তার দায়-দায়িত্ব বর্তমান ক্ষমতাসীনদেরকেই বহন করতে হবে।

বিবৃতিদাতারা হচ্ছেন-
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ (আহ্বায়ক), সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুর রউফ, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ড. মাহবুব উল্লাহ, মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ, শওকত মাহমুদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহফুজ উল্লাহ, প্রফেসর আফম ইউসুফ হায়দার, রুহুল আমিন গাজী, আবদুল হাই শিকদার (সদস্য সচিব), ড. ওয়াকিল আহমেদ, ড. খন্দকার মুশতাহিদুর রহমান, ড. সদরুল আমিন, ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, ড. মোসলেহ উদ্দীন তারেক, গাজী মাযহারুল আনোয়ার, আলমগীর মহিউদ্দিন, এম আব্দুল্লাহ, এম এ আজিজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, কাদের গণি চৌধুরী, ড. রাশিদুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আখতার হোসেন, এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ড. আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, ড. আমিনুর রহমান মজুমদার, ড. জেড এম তাহমিদা বেগম, প্রফেসর আকা ফিরোজ আহমদ, ড. আখতার হোসেন খান, ড. মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন (মালয়েশিয়া), প্রফেসর ইশাররফ হোসেন (মালয়েশিয়া), ড. কেএমএ মালিক (যুক্তরাজ্য), শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ (আয়ারল্যান্ড), আতিকুর রহমান সালু (যুক্তরাষ্ট্র), জয়নাল আবেদিন (যুক্তরাষ্ট্র), মঞ্জুর আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), আবদুল্লাহিল বাকী (ফ্রান্স), তমিজ উদ্দিন (ইতালি), ড. মোবাশে¡র মোনেম, ড. আবুল হাসনাত, ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ড. এবি এম সিদ্দিকুর রহমান নিজামী, প্রফেসর ড. আজহার আলী, মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান, ড. খলিলুর রহমান, ড. সাহিদা রফিক, ড. মো: হায়দার আলী, প্রফেসর একেএম আজহারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর কেএএম শাহাদাত হোসেন মন্ডল, প্রফেসর ড. হাসান মোহাম্মদ, প্রকৌশলী কাজী এম. সুফিয়ান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন মিঞা, প্রফেসর ড. মোখলেছুর রহমান, প্রফেসর ড. সুকোমল বডুয়া,  ড. বোরহান উদ্দিন খান, ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, ড. লায়লা নুর ইসলাম, ড. ইয়ারুল কবির, ড. মামুন আহমেদ, ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. ওবায়দুল ইসলাম, ড. সামসুল আলম, ড. জাহিদুল ইসলাম, ড. কামাল আহমদ চৌধুরী, কবি হাসান হাফিজ, কবি আবু সালেহ, রেদোয়ান হোসেন, বাছির জামাল, একেএম মহসিন, মির আহমেদ মিরু, ড. লুৎফর হমান, ড. তাসলিমা মানসুর, ড. মোরশেদ হাসান খান, ড. মো: মোজাম্মেল হক, ড. মাহফুজুল হক, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন, প্রফেসর শাহ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম, প্রফেসর আসমা সিদ্দিকা, ড. সৈয়দা আফরোজা মামুন, কৃষিবিদ আনোয়ারুনবী বাবলা, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন,  প্রফেসর মো: শহিদুর রহমান, প্রফেসর এনামুল হক, প্রকৌশলী কাজী মো: সুফিয়ান, ড. মোহসিন জিল্লুর করিম, প্রকৌশলী হারুন-অর রশিদ, প্রকৌশলী মমতাজ আহমেদ, প্রকৌশলী আল আমিন, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, কৃষিবিদ একরামুল হক,  অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডী, রাশেদুল হাসান হারুন, চৌধুরী আবদল্লাহ আল ফারুক, অধ্যাপক শাহনাজ সরকার, মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রফেসর সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রফেসর কে এম গোলাম মহিউদ্দিন, প্রফেসর আ ক ম আবদুল কাদের, প্রকৌশলী মো: মাহফুজ, প্রকৌশলী মো: মালেক, প্রকৌশলী কাজী মেজবাহ, প্রকৌশলী মোসলেহউদ্দিন, প্রকৌশলী আল আমিন, ডা. ইফতেখার লিটন, ডা. বেলায়েত হোসেন, ডা. আবদুল মোতালেব, ডা. জসিম উদ্দিন, ডা. বদিউল আলম, ডা. গোলাম মর্তুজা, ডা. আবুল কাশেম, এ্যাডভোকেট জহুরুল আলম, প্রকৌশলী মাসুদুল হক খান, প্রকৌশলী হাসান পারভেজ, প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, প্রকৌশলী মাসুম আহমেদ, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম, সামশুল হক হায়দরি, জাহিদুল করিম কচি, ইসকান্দার আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, ডা. মোহাম্মদ ঈসা, ড. মো. মিজান, প্রকৌশলী সাব্বির মোস্তফা খান, ডা. এ এ গোলাম মুর্তজা হারুন, ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, ডা. আশরাফুল কবীর ভূঁইয়া, ডা. মো. জসিম উদ্দিন, ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আবু সুফিয়ান, মনির খান, রিজিয়া পারভীন, রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, জাকির হোসেন, শরুফুজ্জামান জাহাঙ্গীর,  জুলফিকার হাসান, আব্দুল্লাহ যোবায়ের, সাইফ আহমদ, এ্যাডভোকেট আবেদ রাজা প্রমুখ।

সবুজবাংলা২৪ডটকম/ঢাকা / ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/শনিবার / ১০:১৫

Add SB24-1

মন্তব্য

Scroll To Top
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.