Gmail! | Yahoo! | Facbook | Bangla Font
শিরোনাম
প্রচ্ছদ / বিভাগীয় / বরিশাল বিভাগ / পটুয়াখালী / আগামী নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে : পীর সাহেব চরমোনাই
আগামী নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে : পীর সাহেব চরমোনাই

আগামী নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে : পীর সাহেব চরমোনাই

সবুজবাংলা২৪ডটকম (পটুয়াখালী) : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, দেশময় সর্বত্র অশান্ত বিরাজ করছে। খুন-গুম ও আতঙ্ক চলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন চরম বিপর্যস্ত। সর্বত্র এক অস্তিরতা বিরাজ করছে। এই অস্তিরতা থেকে শান্তি পেতে হলে সকলকে ইসলামে ফিরে আসতে হবে। জাতির মুক্তির জন্য ইসলামী হুকুমতের বিকল্প। জনগণকে ইসলামী হুকুমতের জন্য তৈরী হতে হবে। দেশে দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করছে। দুর্নীতিবাজদের কবল হতে দেশ ও জাতি রক্ষা করতে হলে ইসলামী আন্দোলনকে ক্ষমতায় নিতে হবে। আগামী নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে। পীর সাহেব বলেন, নোংরা রাজনীতিও  লেজুরবৃত্তি পরিহার করে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
ADD SB single_page_ad
মহাসমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে পটুয়াখালী-১ মুফতী আলতাফুর রহমান, পটুয়াখালী-২ মাওলানা  মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও পটুয়াখালী-৩ ডা. কামাল হোসেন খানের নাম ঘোষণা করে সকলকে পরিচয় করিয়ে দেন।

আজ বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের টিডিএস ময়দানে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জেলা সভাপতি মুফতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, দফরতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী। অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, গোলাম সারওয়ার, মুহা. ওয়াহিদুজ্জামান, বরগুনা জেলা সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ প্রমুখ।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, চলমান জাতীয় সংকট নিরসনে ব্যর্থ হলে জাতিকে চরম সংকটে নিপতিত হবে। সকল সংকটের জন্য দূষিত রাজনীতির চর্চাকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, বর্তমান মানবরচিত সংবিধানই সকল সঙ্কটের মূল।

তিনি বলেন, মানুষের গড়া সংবিধান মানুষের কল্যাণ আনতে পারে না। যারাই ক্ষমতায় যায় তারাই নিজেদের স্বার্থে সংবিধান পরিবর্তন করে। এ জন্য আমরা ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই; যে সংবিধান হবে সর্বজনীন, যা সকল মানুষের স্বার্থ সুনিশ্চিত করবে। ক্ষমতার জন্য এ দেশে অনেক হরতাল হয়েছে। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি হরতালও হয়নি। কারণ দুর্নীতি আর দেশের সম্পদ লুটপাট করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গতকালও বলেছেন তিনি জঙ্গীবাদকে এক মুহুর্তের জন্যও ছাড় দেবেন না। কিন্তু সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে এবং দলীয় সকল পর্যায়ের নেতানেত্রীরা সন্ত্রাস, দুর্নীতিতে আকুন্ঠ নিমজ্জিত হলেও সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন বক্তব্য দেশবাসী লক্ষ্য করেনি। স্বাধীনতা পরবর্তী এই দু’টি দলই দেশে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশ ও জনগণের স্বার্থে রাজনীতি করে না, তারা রাজনীতি করে ক্ষমতার স্বার্থে। যে কোন প্রকারে হোক তারা শুধু ক্ষমতা চায়। ক্ষমতায় আরোহনের জন্য দুই নেত্রীই বিদেশীদের কথায় চলে, তাই তারা জনগণের মনের ভাষা বুঝে না। তারা ক্ষমতার জন্য দিল্লি আর ওয়াশিংটনের দিকে তাকিয়ে থাকে। অতএব তাদের হাতে দেশ ও জনগণ নিরাপদ নয়।

সবুজবাংলা২৪ডটকম/পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি  / ১৩ জানুয়ারি ২০১৮/শনিবার / ২০:১১

Add SB24-1

মন্তব্য

Scroll To Top
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.