Gmail! | Yahoo! | Facbook | Bangla Font
শিরোনাম
প্রচ্ছদ / বিভাগীয় / চট্রগ্রাম বিভাগ / চট্রগ্রাম / লেখকদের সাহিত্যকর্মগুলো দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে : লেখক সমাবেশে বক্তারা
লেখকদের সাহিত্যকর্মগুলো দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে : লেখক সমাবেশে বক্তারা

লেখকদের সাহিত্যকর্মগুলো দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে : লেখক সমাবেশে বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক,সবুজবাংলা২৪ডটকম (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো রাজধানীকেন্দ্রিক। ফলে রাজধানীর বাইরের অনেক প্রতিভাধর লেখক এক্ষেত্রে উপেক্ষিত থেকে যান। এ ধারায় পরিবর্তন আনতে হবে। দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে লেখকদের সাহিত্যকর্ম।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকাননের ফুলকি মিলনায়তনে পাক্ষিক ম্যাগাজিন জয়তীর ৭ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সাহিত্যবিশারদ সুহৃদ আয়োজিত জয়তী লেখক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন কথাসাহত্যিক হরিশংকর জলদাস। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের অনেক ইতিহাস ও ঐহিত্যসমৃদ্ধ সেটা ভুলে গেলে চলবে না। আমরা লেখকরা ভালো লেখা লিখছি, কিন্তু সেটা পাঠকদের কাছে পৌঁছুতে পারছে না। বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত। পাঠকদের সঙ্গে লেখকদের সেতুবন্ধন তৈরি করা প্রয়োজন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গেও গড়ে তোলা দরকার নিবিড় সম্পর্ক।

পাক্ষিক জয়তীর এবারের সংখ্যা চট্টগ্রামের লেখকদের অংশগ্রহণে এবং সৌজন্যে করা হয়েছে উল্লেখ করে স্বাগত বক্তৃতায় জয়তীর সম্পাদক মো. মাজেদুল হাসান বলেন, জাতীয় এবং বড় বড় পত্রিকাগুলোতে তরুণ লেখকরা সেভাবে স্থান পায় না। শুধু তাই নয়, প্রতিভাধর অনেক প্রবীণ লেখকও উপেক্ষিত হচ্ছেন। আমরা এই ধারার পরিবর্তন আনতে চাই। দেশের সব অঞ্চলের প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণদেরও জয়তীতে স্থান দিতে চাই।

অনেক আগেই চট্টগ্রামে লেখক সমাবেশ করার উদ্যোগ  নেওয়া হয়ে ছিল কিন্তু নানা কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এবার আপনাদের সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়েছে। এতে বন্দরনগরীর লেখকদের অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি আমরা। আশা করি, আপনারা সব সময় জয়তীর পাশে থাকবেন। সে সঙ্গে লেখক এবং পাঠকদের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরিতেও আমাদের  প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলে জানান জয়তীর উপদেষ্টা সম্পাদক কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর।

মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে অনেক লড়াই করে কেটেছে লেখকদের জীবন উল্লেখ কওে গল্পকার মহীবুল আজিজ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আগের এবং পরবর্তী সময়ে নানা বাধ্যবাধকতার কারণে বড় বড় পত্রপত্রিকায় যেসব লেখা প্রকাশিত হত না, তা ছোট ছোট পত্রিকা বা ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা হত। এভাবেই উঠে এসেছেন অনেক লেখক, সৃষ্টি হয়েছে অনেক ইতিহাস। আমাদের বন্দরনগরী অনেক ইতিহাস সমৃদ্ধ। সে সব বিষয় তুলে ধরার দায়িত্ব এখানকার লেখকধের ।

সাহিত্য সুহৃদ এর সভাপতি শহিদুল আলীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন কবি মাকিদ হায়দার, কবি ময়ূখ চৌধুরী, কবি শিশির দত্ত, কবি  স্বপন দত্ত, আইউব সৈয়দ, কবি শ্যামলী মজুমদার এবং বন্দনগরীর নবীন-প্রবীণসহ বিভিন্ন স্তরের লেখক।

সবুজবাংলা২৪ডটকম/চট্টগ্রাম/ ১৫ অক্টোবর ২০১৭ /রবিবার/ ১৬:০৫

মন্তব্য

Scroll To Top
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.