Gmail! | Yahoo! | Facbook | Bangla Font
শিরোনাম
প্রচ্ছদ / অর্থনীতি-ব্যবসা / মন্ত্রীর ‘গ্যারান্টির’ পরই বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম
মন্ত্রীর ‘গ্যারান্টির’ পরই বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম

মন্ত্রীর ‘গ্যারান্টির’ পরই বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, সবুজবাংলা২৪ডটকম (ঢাকা) : প্রতি বছরই রমজানের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম লাফিয়ে বাড়ে। রোজার আগে মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোগ্যপণের দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনোবারই এ অঙ্গীকার রক্ষা হয় না। গত ২৩ মে মঙ্গলবার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ার ‘শতভাগ গ্যারান্টি’ দিয়েছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। কিন্তু রাজধানীর বাজারগুলো বলছে ভিন্ন কথা।

প্রথম রোজার পর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামই আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে কয়েকদিন আগেও বেগুনের দাম ছিল ৫০-৬০ টাকা, এখন সেটি বাজার ভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনি ছিল ৬৮ টাকা, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকায়; শসার কেজি ছিল ৪২ টাকা, এখন ৫০ টাকা; কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ৫৮ টাকা, এখন যেটি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও রাজধানীর বাজারে ২৪০-২৫০ টাকায় চীনা রসুন পাওয়া যেত, যেটি রোজা শুরুর পর প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। গত রোজায়ও চীনা রসুনের দাম ছিল ২০০-২২০ টাকা।

রোজায় বেড়েছে মোটা চালের দামও। গত বছর রমজান মাসে মোটা চালের কেজি ছিল ৩২-৩৪ টাকা, এ বছর ৪৫-৪৮ টাকা। চিনি ছিল ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, এবার ৭৫ টাকা। কয়েকদিন আগের তুলনায় আলু ও লেবুর দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

ছোলার দাম নতুন করে ৫ টাকা বেড়েছে। ভালো মানের ছোলা ১০০ টাকা, মধ্যম মানের ছোলা ৯০-৯৫ টাকা ও সাধারণ মানের ছোলা কেজিপ্রতি ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রোজার আগে মেঘনা গ্রুপের মিল বন্ধ থাকার অজুহাতে চিনির দাম বেড়ে ৬৮-৭০ টাকা হয়েছিল। পরে বলা হয়েছিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কিন্তু তাতেও দাম না কমে বরং বেড়েছে। রোজার শুরুতে গ্রাহককে চিনি কিনতে হচ্ছে ৭০-৭৮ টাকা কেজিতে।

গরুর মাংসের দাম ৪৭৫ টাকা নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এমনকি এ নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা, সেজন্য সার্বক্ষণিক একটি তদারকি দল কাজ করবে বলেও জানিয়েছিল সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সে নির্দেশনাও মানছে না। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০-৫২০ টাকায় বিক্রি করছেন।

গত ৩০ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকেও রমজানে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ানোর অঙ্গীকার করেন ব্যবসায়ী নেতারা। দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সভায় সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন বণিক সমিতির নেতারা অংশ নিয়েছিলেন।

ওই সভা শেষে বর্তমানে যে বাজার মূল্য, তা স্বাভাবিক দাবি করে রমজান মাসে এ অবস্থা বজায় থাকবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রীর ‘গ্যারান্টি’ কিংবা ব্যবসায়ীদের ‘অঙ্গীকার’, কোনো কিছুতেই নাভিশ্বাস কমছে না সাধারণ মানুষের।

সবুজবাংলা২৪ডটকম/ ঢাকা/ ৩০ মে ২০১৭ /মঙ্গলবার/ ১৬: ০৫

মন্তব্য

Scroll To Top
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.