Gmail! | Yahoo! | Facbook | Bangla Font
প্রচ্ছদ / ছবি ঘর / খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ পড়ে কথা বলুন : ব্যারিষ্টার মওদুদ আহম্মেদ
খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ পড়ে কথা বলুন : ব্যারিষ্টার মওদুদ আহম্মেদ

খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ পড়ে কথা বলুন : ব্যারিষ্টার মওদুদ আহম্মেদ

স্টাফ রিপোর্টার, সবুজবাংলা২৪ডটকম (ঢাকা) : খালেদা জিয়ার ঘোষিত ‘ভিশন ২০৩০’ না পড়েই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন বলে মনে করছেন সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ভিশন উপস্থাপন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আওয়ামী লীগ বলল, এটা অন্তঃসারশূন্য। যারা এই কথাটা বললেন, তারাই নিজেরাই অন্তঃসারশূন্য। তাদের উচিৎ ছিল ‘ভিশন ২০৩০’ পড়ে মন্তব্য করা।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব ভিআইপি লাউঞ্জে নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন : নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহিল মাসুদের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবীর মুরাদ, অধ্যাপক এস এম হাসান তালুকদার, বিএনপির ঢাকা মহানগরীর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মিহির, আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের প্রতষ্ঠিাতা ও সভাপতি মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রাকিবুল ইসলাম রিপন, আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন মাহি প্রমুখ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, ভিশন ২০৩০, যেটা আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া উপস্থাপন করেছেন, আমি মনে করি এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে থাকবে। এটি দেশের রাজনীতিতে একটি মাইলফলক। এই ভিশনটা দেয়া হয়েছে যাতে আন্দোলন জোরদার হয়। এর মাধ্যমে আমাদের হারানো বিষয়গুলো ফিরিয়ে আনতে পারব।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা দেখেছি প্রধানমন্ত্রী একক ক্ষমতা কর্তৃত্ববাদের জন্ম দিয়েছে। এটা আমাদের অভিজ্ঞতা। শুধু এই সরকারের সময়ে নয়, আমাদের সময়েও, এই সরকার একটু বেশি করছে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াই হবেন বলে আগাম আভাস দিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। আমরা বলেছি, আমরা ক্ষমতায় গেলে সংসদে পাবলিক একাউন্টস কমিটি, পাবলিক আন্ডারটেইকেন কমিটি- এই দুটি কমিটির চেয়ারম্যান বিরোধী দল থেকে নেব। নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আগামীতে একটি ‘সহায়ক সরকারের’ রূপরেখা দেয়া হবে বলেও জানান বিএনপির জাতীয় নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সদস্য মওদুদ।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’ দেওয়ার পর মানুষের আলাপ-আলোচনায় যা বুঝেছি, তাতে মনে হয়েছে-আওয়ামী লীগের কাঁপুনি ধরেছে।

জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন তো করবোই। বিএনপি নির্বাচনে যাবে। তবে এই সরকার তথা শেখ হাসিনার অধীনে নয়। যে নির্বাচন হবে, সেটা ২০১৪ সালের মতো নয়। পরিবর্তন অনিবার্য। সামনের দিনগুলি আমাদের বলেও আশা প্রকাশ করেন বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সিদ্ধান্ত বিএনপিকেই নিতে হবে। নির্বাচন সহায়ক সরকার বলেন আর যেই নামেই বলেন রূপরেখা আপনাদেরকেই (বিএনপি) দিতে হবে। মাঠে লড়াই করতে হবে আবার সমঝোতার কথাও বলতে হবে। এখন আপনারা আন্দোলন করবেন, নাকি সমঝোতা করবেন-সেই সিদ্ধান্তও আপনাদেরকেই নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপিকে সত্য কথা বলতে হবে। পুতু পুতু কওে কোন কাজ হবে না। এসব সেমিনার দিয়ে সিদ্ধান্ত হবে না। নিজের শক্তি খুঁজে বের করতে হবে। আমি চাই বিএনপি রাস্তায় নামুক।

সবুজবাংলা২৪ডটকম/ ঢাকা/ ১৩ মে ২০১৭ /শনিবার/১৩: ১০

মন্তব্য

Scroll To Top
Copy Protected by Chetans WP-Copyprotect.